প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী , সমাজসেবক, বহু প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা টংগীরপাড় নিবাসী মরহুম মৌলভী আব্দুল মজিদ সাহেব, শীষপুর নিবাসী মরহুম আব্দুল মান্নান সহ বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় এবং এলাকাবাসীর শারীরিক ও আর্থিক সাহায্য সহযোগিতার ফলে ঐতিহ্যবাহী শীষপুর সাহেব বাড়ীর হাজী রাজা মিয়ার নামে প্রতিষ্ঠানটি ০১/০১/১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথম বিদ্যালয়ের নামে জমি দান করেন মরহুম আবদুল মান্নান সাহেব। বিদ্যালয়টিকে ০১/০১/১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ০২ (দুই) বছরের জন্য জুনিয়র স্কুল হিসেবে সাময়িক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। ০১/০১/১৯৯৫খ্রিষ্টাব্দে নবম শ্রেণী এবং ০১/০১/১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দে দশম শ্রেণী খোলার অনুমতি লাভ করে। ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দে ছাত্র/ছাত্রীরা প্রথমবারের মত এস,এস,সি পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়। ০১/০১/১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা কর্তৃক বিদ্যালয়টি উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। ০১/০১/১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে জুনিয়র স্কুল এবং ১৫/০৫/২০০০ খ্রিষ্টাব্দে উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে এম,পি,ও ভুক্তি লাভ করে। ২০০২ খ্রিষ্টাব্দ যা বর্তমান প্রতিষ্ঠাতা আবদুল কুদ্দুস মজুমদার ও ফখর উদ্দিন আহাম্মদ মজুমদার বিদ্যালয়ের নামে ০১ (এক) জমি দান করিয়া খারিজ করিয়া দিয়াছেন। ২০০২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে অদ্যবধি বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও দানবীর জনাব, আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার এম,এ রশিদ বিদ্যালয়ের ম্যানজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হইয়া আসিতেছেন। দ্বিতল ভবন, হোষ্টেল নির্মাণ, আসবাবপত্র ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য সভাপতি মহোদয় নিজস্ব তহবিল থেকে যথেষ্ট আর্থিক অনুদান দিয়ে যাচ্ছেন। জে,এস,সি পরিক্ষা – ২০১০ এবং এস,এস,সি পরীক্ষা ২০০২ সাল থেকে “A+” সহ শতভাগ ফলাফল অর্জন অব্যাহত রয়েছে। ৪০ তম জাতীয় স্কুল ও মাদ্রাসা ক্রীড়া প্রতিযোগীতায় কাবাডি (বালক) খেলায় অত্র প্রতিষ্ঠানটি “বকুল” অঞ্চল এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি উপজেলা, জেলায় বিভিন্ন প্রোগ্রামে, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় সুনামের সাথে সফলতা অর্জন করে চলেছে।

প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য • দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চ শিক্ষার সুযোগ করে দেয়া। • ভালো শিক্ষার্থী গড়ার পাশাপাশি নৈতিক ও ভালো মানুষ তৈরি করা। • মেধা ও মননের যথাযথ পরিচর্যা করা। • দেশপ্রেম,জাতীয়তাবোধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং অসাম্প্রদায়িক মনোভাব হিসাবে গড়ে তোলা। • নৈতিক, সামাজিক ও মূল্যবোধ গুনাবলী সম্পূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। • তথ্য প্রযুক্তির যুগে শিক্ষার্থীকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান সমৃদ্ধ যোবগ্য ও দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা। • ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে লেখাপড়ার প্রতি মনোযোগী করে গড়ে তোলা। • অভিভাবক বা মা সমাবেশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ফলাফল অবহিতকরণ। • বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। • (বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা , বিতর্ক প্রতিযোগিতা, শিক্ষাসফর ইত্যাদি)। • শিক্ষার্থীরা যাতে নির্দিষ্ট যোগ্যতা অর্জন করতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখা। • অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ নজর রাখা এবং অভিভাবকদের সাথে ফোনে বা সরাসরি যোগাযোগ করা। • দরিদ্র কল্যান তহবিল হতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করা। • গ্রাম দিয়ে শহর আলোকিত করা

শীষপুর হাজী রাজা মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়টি ভবিষ্যতে দক্ষ ও সুনাগরিক গড়ে তুলতে সর্বদা সচেষ্ট। শিক্ষার্থীরা উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলবে, দেশের সেবা করবে নিজেদের দায়িত্ব পালনে এগিয়ে যাবে এই প্রত্যাশা।